dailysatkhiradigantadsdtv
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

সুন্দরবন বাঁচলে বাঁচবে উপকূলের মানুষ

শ্যামনগর থেকে : জি এম ইমরান হোসেন।

 

নদী, কাঁকড়া, মাছ আর মধুর ওপর নির্ভর করে হাজারো মানুষের জীবন—জীবনযুদ্ধে এগিয়ে উপকূলের নারীরাওসাতক্ষীরার শ্যামনগর—বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলের এমন একটি জনপদ, যার জীবন ও জীবিকা অনেকটাই জড়িয়ে আছে বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের সঙ্গে। একদিকে নদী, খাল, কাদামাটি, জোয়ার-ভাটা ও লবণাক্ততা; অন্যদিকে ভয়ংকর প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বাঘ-কুমিরের আতঙ্ক এবং অনিশ্চিত জীবিকা। সবকিছুকে সঙ্গে নিয়েই যুগের পর যুগ সুন্দরবনসংলগ্ন মানুষ বেঁচে আছে।

শ্যামনগরের মানুষের কাছে সুন্দরবন শুধু একটি বন নয়—এটি তাদের জীবনের অবলম্বন, পরিবারের খাবারের নিশ্চয়তা, সন্তানের পড়াশোনার খরচ এবং কখনো কখনো বেঁচে থাকার শেষ আশ্রয়।

 

সুন্দরবনকেন্দ্রিক মানুষের জীবিকার মধ্যে রয়েছে মাছ আহরণ, কাঁকড়া সংগ্রহ, মধু ও মোম সংগ্রহসহ বিভিন্ন পেশা। সরকারি ও বিভিন্ন গবেষণা-ভিত্তিক তথ্যেও সুন্দরবনসংলগ্ন শ্যামনগর ও আশাশুনি এলাকার বিপুল মানুষের জীবিকা মাছ, কাঁকড়া, মধু ও গোলপাতার মতো বনজ সম্পদের সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা উঠে এসেছে।

 

নদীর সঙ্গে তাদের নিত্যদিনের বসবাস

ভোরের আলো ফুটতেই উপকূলের অনেক ঘরে শুরু হয় কর্মব্যস্ততা। কেউ নৌকা নিয়ে নদীতে বের হওয়ার প্রস্তুতি নেন, কেউ জাল গুছিয়ে নেন, কেউ খাবার তৈরি করে দেন পরিবারের কর্মজীবী সদস্যদের জন্য।

 

জোয়ার-ভাটার হিসাব, নদীর স্রোত, আবহাওয়ার অবস্থা—সবকিছু মাথায় রেখেই শুরু হয় দিনের পথচলা।

 

যাদের জীবিকা নদীনির্ভর, তাদের কাছে প্রতিটি দিনই একেকটি সংগ্রাম। কখনো নদীতে মাছ পাওয়া যায়, কখনো খালি হাতে ফিরতে হয়। কখনো কাঁকড়ার ভাগ্য ভালো হয়, আবার কখনো দিনের শ্রমের তুলনায় আয় থাকে অতি সামান্য।

 

তারপরও থেমে থাকে না জীবন।

 

কারণ এই মানুষগুলোর কাছে নদী মানে শুধু পানি নয়—নদী মানে সংসার, সন্তান, স্বপ্ন এবং আগামী দিনের আশার আলো।

 

জীবনযুদ্ধে উপকূলের নারীরা

সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকার নারীদের জীবনও কম সংগ্রামের নয়। অনেক নারী ঘরের কাজের পাশাপাশি মাছ ও কাঁকড়া-নির্ভর বিভিন্ন কাজে যুক্ত। বিশেষ করে শ্যামনগরের বিভিন্ন এলাকায় কাঁকড়া চাষ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে নারীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে।

 

সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনীসহ উপকূলীয় এলাকায় নারীরা কাঁকড়া চাষের কাজে যুক্ত হয়ে আয় করছেন। কোথাও কোথাও নারীরা কাঁকড়ার পরিচর্যা, খাবার দেওয়া, খাঁচা বা বাক্স পর্যবেক্ষণ এবং বাজারজাতকরণের বিভিন্ন কাজে কাজ করছেন।

 

গবেষণাতেও শ্যামনগরের কাঁকড়া সংগ্রাহকদের মধ্যে নারীদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণের তথ্য পাওয়া যায়। একটি গবেষণায় নমুনাভুক্ত কাঁকড়া সংগ্রাহকদের ৫৮.১ শতাংশ নারী ছিলেন।

 

এই নারীদের কাছে কাজ মানে শুধু আয় নয়; কাজ মানে পরিবারের পাশে দাঁড়ানো, সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দেওয়া এবং কঠিন বাস্তবতার মধ্যে নিজের অবস্থান তৈরি করা।

 

ভোর থেকে সন্ধ্যা—কখনো নদীর পাড়ে, কখনো কাঁকড়ার ঘেরে, কখনো ঘরের কাজে; এভাবেই উপকূলের নারীরা নীরবে চালিয়ে যাচ্ছেন জীবনযুদ্ধ।

 

সুন্দরবনের অন্যতম সম্পদ কাঁকড়া

সুন্দরবনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা জীবিকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ কাঁকড়া। শ্যামনগর অঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে কাঁকড়া সংগ্রহের পাশাপাশি কাঁকড়া চাষও এখন গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে পরিণত হয়েছে।

 

অনেক কাঁকড়া শিকারি প্রয়োজনীয় অনুমতি ও পাস নিয়ে সুন্দরবনের নির্দিষ্ট এলাকায় প্রবেশ করেন। নদী ও খালের কাদামাটির মধ্যে নানা কৌশলে কাঁকড়া ধরেন তারা।

 

এই কাজ সহজ নয়।

 

কাদা, জোয়ারের পানি, নদীর স্রোত, বনের দুর্গম পরিবেশ এবং বন্যপ্রাণীর ঝুঁকি—সবকিছুর মধ্য দিয়েই তাদের কাজ করতে হয়।

 

একটি গবেষণায় দেখা গেছে, শ্যামনগরের কাঁকড়া সংগ্রাহকদের একটি বড় অংশ সুন্দরবনের ভেতর থেকে কাঁকড়া সংগ্রহ করেন, আর অন্যরা উপকূলীয় নদী, খাল ও ঘের থেকে সংগ্রহ করেন।

 

কাঁকড়া শুধু স্থানীয় মানুষের খাদ্য বা জীবিকার অংশ নয়; এটি উপকূলীয় অর্থনীতিরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শ্যামনগরে কাঁকড়া চাষ ও সংশ্লিষ্ট কর্মসংস্থানও দ্রুত বিস্তৃত হয়েছে।

 

বনের গভীরে মধু সংগ্রহ করেন মৌয়ালরা

সুন্দরবনের আরেকটি পরিচিত পেশা হলো মধু সংগ্রহ। যারা সুন্দরবনে গিয়ে মৌচাক থেকে মধু সংগ্রহ করেন, স্থানীয়ভাবে তাদের বলা হয় মৌয়াল।

 

মৌয়ালদের জীবন যেন প্রকৃতির সঙ্গে এক কঠিন চুক্তি।

 

বনের গভীরে যেতে হয়, খুঁজে বের করতে হয় মৌচাক। সেখানে রয়েছে মৌমাছির আক্রমণের ঝুঁকি, নদী-খালের বিপদ, বন্যপ্রাণীর ভয় এবং অনিশ্চিত আবহাওয়া।

 

মধু সংগ্রহের মৌসুমে অনুমতি নিয়ে দলবদ্ধভাবে বনে প্রবেশ করেন মৌয়ালরা। তাদের কাছে সুন্দরবনের মধু শুধু একটি পণ্য নয়—এটি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা একটি ঐতিহ্যবাহী জীবিকা।

 

সুন্দরবননির্ভর মানুষের জীবনযাত্রা নিয়ে বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ডের তথ্যেও মাছ ধরা, মধু সংগ্রহসহ বনকেন্দ্রিক জীবিকার কঠিন বাস্তবতার কথা উল্লেখ রয়েছে।

 

গাবুরা, বুড়িগোয়ালিনী ও পদ্মপুকুরের মানুষের জীবন

শ্যামনগরের সুন্দরবনসংলগ্ন বিভিন্ন এলাকার মানুষের জীবন সরাসরি উপকূল ও নদীর সঙ্গে যুক্ত। বিশেষ করে গাবুরা, বুড়িগোয়ালিনী, পদ্মপুকুরসহ সুন্দরবনঘেঁষা এলাকার বহু পরিবার মাছ, কাঁকড়া, চিংড়ি, কৃষি ও অন্যান্য উপকূলীয় জীবিকার ওপর নির্ভরশীল।

 

প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করেই তাদের দিন কাটে।

 

ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, লবণাক্ততা এবং অতিবৃষ্টির মতো দুর্যোগ এসব এলাকার মানুষের জীবনকে বারবার বিপর্যস্ত করে। অতীতে সিডর, আইলা, আম্পানসহ একের পর এক দুর্যোগ সুন্দরবনসংলগ্ন মানুষের জীবনে বড় আঘাত হেনেছে।

 

তারপরও তারা ঘুরে দাঁড়ায়।

 

বাড়িঘর ভাঙে, নৌকা হারায়, জাল নষ্ট হয়—কিন্তু মানুষ আবার নতুন করে জাল বোনে, নৌকা মেরামত করে, নদীতে নামে এবং জীবন শুরু করে।

 

সুন্দরবনের ভেতরে কলাগাছিয়া—প্রকৃতির অনন্য সৌন্দর্য

সুন্দরবনের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র কলাগাছিয়া ইকোট্যুরিজম সেন্টার। এটি সাতক্ষীরা রেঞ্জের সুন্দরবনের পশ্চিম অংশে অবস্থিত। পর্যটন পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, কলাগাছিয়ার একদিকে লোকালয়, অন্যদিকে সুন্দরবন এবং মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে খোলপেটুয়া নদী। নদীপথে বনের ভেতর দিয়ে যেতে হয় এই পর্যটনকেন্দ্রে।

 

কলাগাছিয়ার পথে চোখে পড়ে সুন্দরবনের ঘন সবুজ বন। সেখানে রয়েছে সুন্দরী, গরান, গেওয়া, গোলপাতা, পশুর, বাইন ও কেওড়াসহ বিভিন্ন ধরনের ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ।

 

বনের ভেতরে দেখা মিলতে পারে বানর, হরিণসহ নানা বন্যপ্রাণীর। রয়েছে ওয়াকওয়ে ও পর্যবেক্ষণ টাওয়ার থেকে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখার সুযোগ।

 

বাংলাদেশ বন বিভাগের ইকোট্যুরিজম প্ল্যাটফর্মেও কলাগাছিয়াকে সুন্দরবনের গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন স্পট হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে দর্শনার্থীদের জন্য দৈনিক পর্যটক ধারণক্ষমতার তথ্যও দেওয়া রয়েছে।

 

পর্যটনের সঙ্গে বাড়ছে সম্ভাবনা

সুন্দরবন শুধু বনজ সম্পদের উৎস নয়, এটি বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন সম্পদও।

 

প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা সুন্দরবনের সৌন্দর্য দেখতে আসেন। নদীপথে নৌযাত্রা, বনের সবুজ, কেওড়া-গরানের সারি, বন্যপ্রাণী এবং জোয়ার-ভাটার প্রকৃতি পর্যটকদের আকৃষ্ট করে।

 

তবে পর্যটন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দায়িত্বও বাড়ছে।

 

পর্যটন যেন কোনোভাবেই সুন্দরবনের পরিবেশের ক্ষতি না করে—এ বিষয়টি নিশ্চিত করা জরুরি। বনে প্লাস্টিক ফেলা, শব্দদূষণ, বন্যপ্রাণীকে বিরক্ত করা বা বনজ সম্পদের ক্ষতি করা হলে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতির মুখে পড়বে প্রকৃতি ও মানুষ—দুই পক্ষই।

 

সুন্দরবন শুধু গাছপালা নয়, এটি মানুষের জীবন

সুন্দরবনকে অনেকেই শুধু রয়েল বেঙ্গল টাইগার, হরিণ, গাছপালা আর নদীর সমষ্টি হিসেবে দেখেন। কিন্তু সুন্দরবনের সঙ্গে আরও একটি বিশাল গল্প জড়িয়ে আছে—মানুষের গল্প।

 

এই বনের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকা জেলে, কাঁকড়া শিকারি, মৌয়াল, বাওয়ালি, নৌকার মাঝি, ব্যবসায়ী, শ্রমিক এবং অসংখ্য উপকূলীয় পরিবারের গল্প।

 

একজন জেলে যখন নদীতে নৌকা নিয়ে যান, তার সঙ্গে শুধু মাছ ধরার সরঞ্জাম থাকে না—সঙ্গে থাকে পুরো পরিবারের প্রত্যাশা।

 

একজন মৌয়াল যখন বনের গভীরে যান, তার পেছনে থাকে পরিবারের মুখ।

 

একজন কাঁকড়া শিকারি যখন কাদামাটিতে নেমে পড়েন, তার চোখে থাকে দিনের আয় দিয়ে পরিবারের প্রয়োজন মেটানোর স্বপ্ন।

 

আর একজন উপকূলীয় নারী যখন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করেন, তার পরিশ্রমের মধ্যে থাকে সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়ার আকাঙ্ক্ষা।

 

সুন্দরবন রক্ষা মানেই উপকূল রক্ষা

সুন্দরবন বাংলাদেশের উপকূলের জন্য একটি প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ম্যানগ্রোভ বন উপকূলীয় অঞ্চলের ওপর প্রাকৃতিক সুরক্ষা তৈরিতে ভূমিকা রাখে।

 

তাই সুন্দরবন ধ্বংস হলে শুধু গাছপালা বা বন্যপ্রাণী ক্ষতিগ্রস্ত হবে না; সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে সুন্দরবননির্ভর মানুষ।

 

যে মানুষ আজ সুন্দরবন থেকে মাছ, কাঁকড়া কিংবা মধু সংগ্রহ করে সংসার চালাচ্ছেন, ভবিষ্যতে সেই সুযোগ নষ্ট হলে তাদের জীবিকাও সংকটে পড়বে।

 

তাই বন সংরক্ষণ ও মানুষের জীবিকা—দুটিকে একসঙ্গে দেখতে হবে।

 

বন থাকবে, নদী থাকবে, মাছ থাকবে, কাঁকড়া থাকবে, মৌমাছি থাকবে—তবেই থাকবে মৌয়াল, জেলে ও কাঁকড়া শিকারির জীবিকা।

 

মানুষের জীবন ও বনের ভবিষ্যৎ একই সুতোয় বাঁধা

সাতক্ষীরার শ্যামনগরের সুন্দরবনসংলগ্ন মানুষের জীবন আমাদের একটি বড় শিক্ষা দেয়—প্রকৃতি ও মানুষ একে অপরের পরিপূরক।

 

সুন্দরবনকে রক্ষা করতে হলে বননির্ভর মানুষের জীবন-জীবিকা, নিরাপত্তা ও বিকল্প কর্মসংস্থানের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে।

 

প্রয়োজন টেকসই মাছ আহরণ, কাঁকড়া ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ মধু সংগ্রহ, নারীদের জন্য কর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব পর্যটনের প্রসার।

 

একই সঙ্গে সুন্দরবনে প্রবেশের নিয়ম, মাছ-কাঁকড়া-মধু আহরণের সরকারি বিধিনিষেধ এবং সংরক্ষণব্যবস্থা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

 

কারণ সুন্দরবন কারও একার সম্পদ নয়।

 

এটি প্রকৃতির সম্পদ, দেশের সম্পদ এবং উপকূলের মানুষের বেঁচে থাকার অবলম্বন।

 

সুন্দরবন বাঁচলে বাঁচবে নদী।

নদী বাঁচলে বাঁচবে জেলে।

বন বাঁচলে বাঁচবে মৌয়াল ও কাঁকড়া শিকারি।

আর সুন্দরবন বাঁচলে বাঁচবে সাতক্ষীরার উপকূলের মানুষ।

 

তাই সুন্দরবনের প্রতি দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, স্থানীয় মানুষের নয়, পর্যটকদের নয়—দায়িত্ব আমাদের সবার।

 

সুন্দরবনকে বাঁচাতে হবে মানুষের জন্য, প্রকৃতির জন্য এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সুন্দরবন বাঁচলে বাঁচবে উপকূলের মানুষ

কেসিসির ৬০১ কোটি ৭৯ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা : নতুন কর আরোপ ছাড়াই উন্নয়নমুখী বাজেট, সংশোধিত বাজেট ৩৩৮ কোটি ৯৭ লাখ টাকা 

মাছের অভয়ারণ্য গড়ার উদ্যোগ, সিঙ্গার বিলে বিল নার্সারির পোনামাছ অবমুক্ত 

আটঘরিয়ায় বিএনপি নেতাকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা,তমা খাতুন হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি ছিলেন নিহত আদম আলী

বদলে গেছে তালা সরকারি হাসপাতালের চিত্র! মিলছে কাঙ্ক্ষিত ওষুধ, বেড়েছে সেবার মান,স্বস্তি ফিরছে রোগী ও স্বজনদের মনে

ডুমুরিয়ায় দাঁতের স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে সচেতনতামূলক সভা

তালা উপজেলা ৬ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার, পলতাক ১

আশাশুনিতে ২০ পিস ইয়াবাসহ একাধিক মামলার আসামি আমিনুর গ্রেফতার

ফরিদপুর পৌরসভায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গাছের চারা বিতরণ

ভুয়া জখমের নাটক সাজিয়ে একটি পরিবারকে ফাঁসানোর অভিযোগ।

১০

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

১১

বেতাগীতে ঘনঘন লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তিতে গ্রাহক, বিপাকে শিক্ষার্থীরা

১২

নজরুলের সাহিত্য ও সঙ্গীতে নিবিড়ভাবে ফুটে উঠেছে রাসূল প্রেম কেসিসি প্রশাসক

১৩

কয়রায় এনজিওকর্মী থেকে জুয়ার মাস্টার এজেন্ট সামাদ

১৪

গাবুরা ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি নিয়ে অভিযোগ, ‘আওয়ামী লীগ ও অস্ত্র ব্যবসায়ীদের স্থান দেওয়া হয়েছে

১৫

পাইকগাছায় সন্ত্রাস, ভাঙচুর ও মিথ্যা মামলার  প্রতিবাদে ভুক্তভোগীদের মানববন্ধন

১৬

পাটকেলঘাটাবাসীর অভিশাপ হয়ে  দাঁড়িয়েছে বলফিল্ডের সড়ক

১৭

চাঁদাবাজি ও হলুদ সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে কেশবপুরে মানববন্ধন

১৮

তালা কামেল মডেল হাইস্কুল পরিদর্শন করেন ইউএনও জান্নাতুল আফরোজ 

১৯

রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথমবার নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল

২০