আবুজার গাজী, স্টাফ রিপোর্টার
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে এক মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
থানা সূত্র ও ভুক্তভোগী ছাত্রীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ওই ছাত্রীর বাড়ি যশোর জেলার শার্শা উপজেলার ডিহিপাড়া গ্রামে। তার মা সৌদি আরবপ্রবাসী। লেখাপড়ার সুবাদে সে শ্যামনগরের গুমানতলী গ্রামে নানার বাড়িতে থেকে গুমানতলী কামিল মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াশোনা করে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ওই মাদ্রাসার সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক নূর আলম প্রাইভেট পড়ানোর জন্য ছাত্রীর নানার বাড়িতে যাতায়াত শুরু করেন। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে ছাত্রীটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিষয়টি জানাজানি হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন মাদ্রাসার অভিভাবকসহ স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে শিক্ষক নূর আলমের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তিনি গুমানতলী গ্রামের সামছুর রহমান সরদারের ছেলে।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিউল ইসলাম পাটোয়ারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ভুক্তভোগী ছাত্রীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে। পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন