শাহিনুর ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি
আশ্বিনে শুরু হয়ে কার্ত্তিকে শেষ হবে বাংলার সর্ববৃহৎ ও সর্বজনীন উৎসব দূর্গাপূজা। সুত্র মতে, ২০২৬ সালের শারদীয়া দুর্গোৎসব ১৬ অক্টোবর (বাংলা ২৮ আশ্বিন) থেকে ২১ অক্টোবর (বাংলা ৩ কার্ত্তিক) পর্যন্ত ৬ দিনব্যাপী। দেবী দূর্গার গজে আগমন, ফল– গজে জলদাদেবী শস্যপূর্ণা বসুন্ধরা। দুর্গাদেবীর নৌকায় গমন, ফল– নৌকায়াং জলবৃদ্ধি শস্যবৃদ্ধিশ্চ। পাইকগাছা উপজেলা ও পৌরসভায় ১৫১ টি পূজা মন্ডপে এবার দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তম্মধ্যে ইউনিয়ন ভিত্তিক হরিঢালী ১৭, কপিলমুনি ১৮, লতা ১২, দেলুটি ১৩, সোলাদানা ১২, লস্কর ১৯, গদাইপুর ৭, রাড়ুলী ২০, চাঁদখালী ১৫, গড়ুইখালী ১২ ও পৌরসভায় ৬ টি। ইতমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন, প্রতিযোগিতা চলছে এখন মনোমুগ্ধকর প্যান্ডল ও গেটের সাজ, আলোক সজ্জা ও দৃস্টিনন্দন ভঙ্গিমার।চারিদিকে সাজ সাজ রব।
আইন শৃংখলা রক্ষার্থে প্রশাসন সার্বিক পরিকল্পনা গ্রহন করেছে। ঝুকিপূর্ন মন্ডপ গুলোতে বাড়তি নজরদারী রাখা হবে বলে জানা গেছে। মহালয়ার মধ্য দিয়ে দেবীপক্ষের সূচনা হয়, আর বিজয়া দশমীর সিঁদুর খেলা ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটে।দুর্গাপূজা শুভশক্তির হাতে অশুভ শক্তির পরাজয়ের প্রতীক। পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, মহিষাসুরের অত্যাচার থেকে দেবতা ও মানবজাতিকে রক্ষা করার জন্য দেবী দুর্গার আবির্ভাব ঘটে। দেবী দুর্গা মহিষাসুরকে বধ করে ন্যায় ও সত্যের প্রতিষ্ঠা করেন। তাই দুর্গাপূজা মানুষের জীবনে সাহস, ন্যায়, সত্য, শক্তি ও আত্মবিশ্বাসের বার্তা বহন করে। দেবীর দশ হাত বিভিন্ন শক্তি ও গুণের প্রতীক, আর তাঁর বাহন সিংহ সাহস ও বীরত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। মহাষষ্ঠী: ১৬ অক্টোবর, শুক্রবার (বোধণ ও দেবীর আবাহন) মহাসপ্তমী: ১৭–১৮ অক্টোবর, শনি ও রবিবার (পত্রালাপ ও সপ্তমীবিহিত পূজা) মহাষ্টমী: ১৯ অক্টোবর, সোমবার (কুমারী পূজা ও সন্ধিপূজা) মহানবমী: ২০ অক্টোবর, মঙ্গলবার (মহা আরতি ও ভোগ নিবেদন) বিজয়া দশমী: ২১ অক্টোবর, বুধবার (সিঁদুর খেলা ও বিসর্জন)।
মন্তব্য করুন